
নওগাঁ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁয় ৬টি আসনের মধ্যে পাঁচটি আসনে ধানের শীষ ও একটি আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বেসরকারি ভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন-
নওগাঁ-১ আসনে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪।
নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপির ফজলে হুদা বাবুল। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮৯।
নওগাঁ-৪ আসনে বিএনপির ডা: ইকরামুল বারী টিপু। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪।
নওগাঁ-৫ আসনে বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৫।
নওগাঁ-৬ আসনে বিএনপির শেখ মো: রেজাউল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬।
নওগাঁ-২ আসনে জামায়াতে ইসলাম প্রার্থী এনামুল হক। তার প্রাপ্ত ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬।
অপরদিকে প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন-
নওগাঁ-১ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- জামায়াতের মাহবুবুল আলম। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৭৭ দশমিক ৫২ শতাংশ।
নওগাঁ-২ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- বিএনপির সামসুজ্জোহা খান। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৭৬ দশমিক ৮১ শতাংশ।
নওগাঁ-৩ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- জামায়াতের মাহফুজুর রহমান। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৪২১। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৭৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।
নওগাঁ-৪ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- জামায়াতের আব্দুর রাকিব। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৭ হাজার ৫৮৫। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৭২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
নওগাঁ-৫ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- জামায়াতের আবু সাদাত মোঃ সায়েম। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৪৭। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৬৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
নওগাঁ-৬ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- জামায়াতের খবিরুল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৭ হাজার ৬২৯। এ আসনে ভোট পড়েছে শতকরা ৬৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এছাড়া গণভোটের পক্ষে হ্যা ভোট পড়েছে ১০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮টি এবং না ভোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫০টি।
এর আগে ৬টি আসনে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহন হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে একটানা সাড়ে ৪টায় পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে- জেলার ১১টি উপজেলায় ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। মোট ৭৮২ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। মোট ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট গ্রহন হয়।
ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার সদস্য ও র্যাব নিয়োজিত ছিলো। এছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর ষ্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।