শিরোনাম:

নওগাঁয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক

নারী-‎শিশু নির্যাতন বন্ধে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন, ১০ দফা প্রস্তাবনা

ইফতারের পর মাথাব্যথা? এড়াবেন যেভাবে

খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা কেন উপকারী

ইফতারে সুস্বাদু ডিমের চপ

সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের গণভোটে কেন এত বিতর্ক

শিরোনাম২৪ঃ
প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
গণভোট

রাষ্ট্র সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য এবারের গণভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নবযাত্রা শুরু করতে হলে জুলাই সনদের এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা দরকার। গণভোট অনুষ্ঠানের বাকি আর মাত্র ১০ দিন। অথচ এ নিয়ে বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সাধারণ জনগণের মধ্যে গণভোট নিয়ে সচেতনতার অভাব আছে। কারণ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেওয়ার প্রচার চালানো হলেও যে চারটি বিষয়ের ওপর ভোট, তাতে কী কী পরিবর্তন হবে, সে বিষয়ে জনমনে একধরনের ধোঁয়াশা রয়েছে। একদিকে সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন সরকারি কর্মকর্তাদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা না করার নির্দেশনা দিয়েছে। তাছাড়া গণভোট-পরবর্তী ১৮০ দিনের সংসদ কেমন হবে, তা নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণেও গণভোট নিয়ে কিছুটা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। প্রথম বিতর্ক তৈরি হয় গণভোট অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ নিয়ে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি করে। অন্যদিকে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানের দাবিতে অটল ছিল বিএনপি।

পরে সরকার অবশ্য একই দিনে দুই ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর শুরু থেকেই জামায়াত ও এনসিপি ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণা শুরু করে। পাশাপাশি দলটি অভিযোগ তোলে, বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপক্ষে। এদিকে এমন আলোচনার মধ্যেই বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ে বেশকিছু নেতা ও কর্মীর ‘না’ ভোটের পক্ষে দেওয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এই অভিযোগ কিছুটা সমর্থনযোগ্য হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সর্বশেষ দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করলে এই বিতর্কের অবসান ঘটে। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির ভোটাররা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেবেন কি না, এ নিয়ে বিরোধীদের পক্ষ থেকে এখনো নানা প্রচারণা রয়েছে।

এদিকে গণভোটের বিষয়গুলো কিছুটা জটিল বলে দেশের রাজনীতিতে আলোচনা আছে। কারণ, যে চারটি প্রশ্ন পড়ে বা দেখে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, এর সবকটিই সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত। ফলে সাধারণ মানুষের এটা বুঝতে সময় লাগবে। তাছাড়া গণভোট নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর যেভাবে প্রচারণা চালানো দরকার ছিল, সেভাবে হয়নি।

জনগণকে সচেতন করতে এবং বিতর্ক এড়াতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সামনের দিনগুলোয় গণভোট নিয়ে আরও জোরেশোরে প্রচার চালানোর পরামর্শও দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, জুলাই সনদে রাষ্ট্র সংস্কারের অনেক প্রস্তাব আছে। গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য এসব সংস্কার খুবই প্রয়োজন। আমাদের নবযাত্রা শুরু করতে হলে এই সংস্কারগুলো করা দরকার।

এজন্যই ‘হ্যাঁ’ আর ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এটা সত্য, গণভোটের বিষয়টি এখনো জনগণের কাছে স্পষ্ট নয়। কিন্তু আমি মনে করি, এটি ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও জনপ্রিয় হচ্ছে। কারণ, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও গণভোটের পক্ষে কথা বলা হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বলেছেন। জামায়াত এবং এনসিপিও পক্ষে বলেছে।

গণভোট নিয়ে আরও জোরেশোরে কথা বলা দরকার ছিল বলে মন্তব্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য আরও বলেন, আমি মনে করি, এখনো সুযোগ আছে এবং এই প্রচারণা জোরদার করতে হবে। দলের নেতা ও প্রার্থীরা তাদের কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে যাচ্ছেন। নির্বাচনি প্রচারের পাশাপাশি গণভোটের বিষয়টিও তাদের মানুষকে বলতে হবে।

জনগণকে আরও ভালোভাবে বোঝাতে হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী হবে, আর ‘না’ ভোট দিলে কী হবে। সামনে আরও কয়েকদিন সময় আছে। আমি মনে করি, জনগণকে এ বিষয়ে আরও সচেতন করা সম্ভব হবে।

জুলাই সনদের ৪৮টি বিষয়কে চারটি প্রশ্নে ভাগ করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। যুগান্তরকে তিনি বলেন, গণভোট নিয়ে অস্পষ্টতা এখনো আছে। সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতার অভাবও আছে। কারণ, এটি একটি জটিল বিষয় এবং যার সবই সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত।

শিক্ষিত ও সচেতন মানুষই এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে সময় ব্যয় করতে হবে। ফলে সাধারণ মানুষের এটি নিয়ে ধারণা না থাকাই স্বাভাবিক। তাই আমি মনে করি, এই অস্পষ্টতা দূর করতে হবে। সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের আরও সচেতন করতে হবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য তারেক রহমানের আহ্বানকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, তারেক রহমান যে যুক্তিতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান জানিয়েছেন, আমি মনে করি, এটা ভালো যুক্তি। কারণ, দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। এই স্বাক্ষরের মাধ্যমে তারা সনদ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ের গবেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, গণভোট সহজেই ‘হ্যাঁ’ জিতত; কিন্তু সরকারের ভূমিকার কারণে এখানে কিছুটা নেতিবাচক অবস্থান তৈরি হয়েছে। কারণ উল্লেখ করে যুগান্তরকে তিনি বলেন, আমাদের দেশ দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসনে ছিল। স্বাধীন দেশে এখনো আমাদের সরকারের ধরন ঔপনিবেশিক ধাঁচের।

ফলে সরকার যখন কোনো কিছু বলে, মানুষ এটার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণ-অভ্যুত্থানের সরকার। তারা যদি চায় গণভোটে জুলাই সনদ পাশ হোক, এটায় দোষের কিছু নেই। সরকার তাদের এই চাওয়ার কথা বলতে পারত। কিন্তু এই চাওয়ার পক্ষে সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেভাবে নিয়োগ করা হয়েছে, সেটা ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কারণে গণভোটের ফলাফল নিয়ে জনগণের মধ্যে এখন একধরনের সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।

আলতাফ পারভেজ বলেন, বিএনপির সিনিয়র অনেক নেতাকেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বলতে শুনেছি। তবে তাদের কর্মী পর্যায়ের কেউ কেউ ‘না’-এর পক্ষে বলেছেন। এটা হয়েছে সরকারের প্রতি একটা অনাস্থা থেকে। কারণ, বিএনপির অনেক কর্মীর মাঝে এরকম শঙ্কা আছে যে, যদি ‘হ্যাঁ’ জিতে যায়, তাহলে বিএনপি জিতলেও তাদের সরকার গঠন করতে দেওয়া হবে কি না? ফলে অনেকের মধ্যে ‘না’ ভোট দেওয়ার প্রবণতা ছিল। তাই ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোট জিতবে, সেটা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সেই জায়গায় তারেক রহমান অবস্থান স্পষ্ট করলেন।

চার প্রশ্নে বিতর্ক : ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের চূড়ান্ত আইনি ভিত্তি দিতে এই ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে ইতোমধ্যে গণভোট নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। রাষ্ট্র সংস্কারে জুলাই সনদে ৮৪টি প্রস্তাব করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ১৭ অক্টোবর ২৫টি রাজনৈতিক দল সনদে স্বাক্ষর করে।

তবে ৬১টি প্রস্তাবেই কোনো-না-কোনো দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি) রয়েছে। এই ৮৪ প্রস্তাবের মধ্য থেকে ৪৮টি বিষয়কে মোটা দাগে চারটি প্রশ্নে ভাগ করা হয়েছে। এখন এ চারটি প্রশ্নকে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটে উত্তর দেওয়া নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছে। কারণ, ৪টি প্রশ্নের সবকটিতে সবাই একমত হবেন, এমন নয়। হতে পারে কোনো একজনের একটি বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে।

কিন্তু তার এই দ্বিমত আলাদাভাবে প্রকাশের সুযোগ নেই। এছাড়া ভোটের অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণায়ও বিস্তারিতভাবে বিষয়গুলো উঠে আসছে না। এছাড়া একজন ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য খুব কম সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে ব্যালটের প্রশ্নগুলো পড়াও কঠিন হবে বলে জনমনে আলোচনা আছে।

‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে সরকারের প্রচার নিয়ে প্রশ্ন : এদিকে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, সরকার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারে কি না? তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তারা আইনিভাবেই ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে। যদিও কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা সরকারের এ অবস্থানের বিপক্ষে বলেছেন।

টকশো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এর পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন জানায়, গণভোটে সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না। তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা চালালে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হবে উল্লেখ করে এ সংক্রান্ত চিঠি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়।

এরপর থেকেই গণভোট নিয়ে আরেক দফা বিতর্ক তৈরি হয়। নতুন করে প্রশ্ন ওঠে, সরকার পারলে সরকারি কর্মকর্তারা কেন প্রচারণা চালাতে পারবেন না?

কী হবে ভোটের পরের ১৮০ দিন : এদিকে নির্বাচনের পর নতুন সংসদ গঠিত হলে পরবর্তী ১৮০ দিন কী হবে, তা নিয়ে নানা নেতিবাচক প্রচারণা চলছে। বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে একটি মহল প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে যে, গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ জিতে যায়, তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে।

তবে এই দাবির যে কোনো ভিত্তি নেই, তা ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষে থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি এক গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ প্রথম দিন থেকেই সরকার পরিচালনা করবে। পাশাপাশি ১৮০ দিন ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসাবেও দায়িত্ব পালন করবে।

গণভোটে যে চার প্রশ্ন : ‘আপনি জুলাই আদেশ সমর্থন করেন কি না’-এটাই হলো গণভোটের মূল প্রশ্ন। তবে এই প্রশ্নের চারটি অংশ থাকলেও উত্তর দিতে হবে একটি। ব্যালটে ভোটারদের কাছে উল্লেখ থাকবে, ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’

ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

খ. আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

গ. সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও কয়েকটি সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেসব বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।

ঘ. জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রস্তাবে সম্মত থাকলে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং সম্মতি না থাকলে ‘না’ ভোট দিতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত