শনিবার , ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উদ্যোক্তা
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য প্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি ও লবণের পরিমাণ উল্লেখ বাধ্যতামূলক করতে হবে

প্রতিবেদক
শিরোনাম ২৪
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৮:৩১ অপরাহ্ণ

অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ মানুষের মধ্যে অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। দেশে এসব রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ ও তথ্য জানার অধিকার রক্ষায় প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাটের পরিমাণ বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করা জরুরি।

বিশ্বব্যাপী এ লক্ষ্য অর্জনে ফ্রন্ট–অব–প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা চালু করে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট সম্পর্কে স্বাস্থ্য সতর্কতা জানানো হচ্ছে। বাংলাদেশেও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত এ ফ্রন্ট–অব–প্যাকেজ লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা উচিত।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্রন্ট অব প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয়’ শীর্ষক পরামর্শক সভায় এ কথা বলেন বক্তারা। যৌথভাবে সভার আয়োজন করে সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), আর্ক ফাউন্ডেশন ও পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওয়ার্ক।

সভায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৭০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য বর্তমানে অসংক্রামক রোগ দায়ী। এসব অসংক্রমক রোগের প্রধান কারণ চিনি, লবণ এসব চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার। মোট জনসংখ্যার ৯৭ শতাংশ প্রতি সপ্তাহে প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করে, সুস্পষ্ট পুষ্টি সম্পর্কিত তথ্যের অভাবে জনগণ গুরুতর স্বাস্থ্য ক্ষতি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন মানুষ চিকিৎসা করতে গিয়ে দারিদ্র্য হয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান লেবেল ছাড়া, ভোক্তারা বিশেষ করে শিশুরা বিভ্রান্তিকর বিপণনের ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান বেশিরভাগ কার্বনেটেড পানীয় এবং জুসের ওপর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সতর্কতার অনুপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি এবং আন্তর্জাতিক স্ট্যাডার্ডের পরিপন্থি।

বক্তারা বলেন, নাগরিকদের মোড়কে লিখিত খাদ্যের মান দেখে পণ্য কেনার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। যদি এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায় তবে উৎপাদনকারীরাও মোড়কে সঠিক তথ্য দিতে বাধ্য হবে। একই সঙ্গে আইনের মাধ্যমে মোড়কে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য শিল্প উৎপাদন অধ্যাপক ড. মো. শোয়েব সদস্য, বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক (মেট্রোলজি) ইন্জি. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিএইচএআইয়ের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড অ্যাডভোকেট মো. রুহুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪

সর্বশেষ - অন্যান্য