শনিবার , ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উদ্যোক্তা
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য প্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে বিয়ে, অতঃপর…

প্রতিবেদক
শিরোনাম ২৪
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে জীবন আরামদায়ক করতে মানুষ নানা ধরনের প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে থাকে। কিন্তু হিতের বিপরীতে কপাল পুড়ল নেদারল্যান্ডসের এক নব দম্পতির। নিজের বিয়ের শপথ লিখতে পেশাদার কাজির পরিবর্তে বন্ধুকে বিয়ে পড়ানোর দায়িত্ব দেন ওই দম্পতি। বিয়েতে ভিন্নতা ও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে শপথ বাক্য লিখেন তিনি। বিয়ে শেষে চ্যাটজিপিটির লেখা সেই বক্তব্যে আইনি শর্ত পূরণ না হওয়ায় বিয়ে বাতিল করে দেয় নেদারল্যান্ডসের জুইলা শহরের একটি আদালত।

নেদারল্যান্ডসের দেওয়ানি বিধির ১:৬৭ অনুচ্ছেদের ১ নম্বর ধারায় বিয়ের শপথ নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনায় বলা আছে, হবু স্বামী-স্ত্রীকে রেজিস্ট্রার ও সাক্ষীদের সামনে দুটি বিষয়ে সম্মতি জানাতে হবে। প্রথমত, তারা একে অপরকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয়ত, দাম্পত্য জীবনের সঙ্গে আইনত যেসব দায়িত্ব যুক্ত, তা তারা বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করবেন। গোপনীয়তার স্বার্থে আদালতের রায়ে ওই দম্পতির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ১৯ এপ্রিল ওই দম্পতির বিয়ের আয়োজন করা হয়। কিন্তু সেখানে যে শপথবাক্য পাঠ করা হয়েছিল, তা আইনি মানদণ্ডে টেকেনি। ফলে আদালতের নির্দেশে এখন শহরের রেজিস্ট্রি থেকে ওই বিয়ের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।

আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়, বিয়ে পড়ানোর সময় সেই বন্ধু দম্পতিকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘জীবন যখন কঠিন হয়ে পড়বে, তখনো কি আপনারা একে অপরকে সমর্থন করবেন, একে অপরকে খেপাবেন এবং জড়িয়ে ধরে রাখবেন?’ দম্পতিকে তিনি ‘পাগলাটে’ হিসেবেও সম্বোধন করেন।

বিচারক তার পর্যবেক্ষণে বলেন, এসব কথাবার্তা মজার হতে পারে, কিন্তু এতে দাম্পত্য দায়িত্ব পালনের সেই আইনি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ নেই।

বিয়ের ওই তারিখটির সঙ্গে দম্পতিটির আবেগ জড়িয়ে থাকায় তারা আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন, আইনি ভাষা ব্যবহার না হলেও তাদের একে অপরকে বিয়ে করার ইচ্ছেটাই যেহেতু আসল, তাই ওই তারিখটিকেই যেন বিয়ের বৈধ তারিখ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

কিন্তু ৫ জানুয়ারি দেওয়া রায়ে বলা হয়, ‘আদালত বুঝতে পারছে যে বিয়ের সনদে ওই নির্দিষ্ট তারিখটি এই নারী ও পুরুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আইন যা বলে তা আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।’ রায়ে চূড়ান্তভাবে বলা হয়, যেহেতু বিয়ের ঘোষণায় সংবিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ হয়নি, তাই সিভিল রেজিস্ট্রিতে বিয়ের সনদটি ভুলভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ফলে এটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

সূত্র: যুগান্তর

সর্বশেষ - অন্যান্য