শনিবার , ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উদ্যোক্তা
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য প্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

সন্তানকে হেট স্পিচ নিয়ে সতর্ক করার উপায় বললো ইউনিসেফ

প্রতিবেদক
শিরোনাম ২৪
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৯:২৭ অপরাহ্ণ

হেট স্পিচ বা ঘৃণা ছড়ানোর বক্তব্য হলো এমন কথা বা আচরণ যা কাউকে তার পরিচয়ের কারণে অপমান করে। আজকাল শিশুদের কাছেও এটা অপরিচিত নয়।

স্কুল, খেলার মাঠ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা এর মুখোমুখি হতে পারে। তাই অভিভাবক হিসেবে এই বিষয়টি নিয়ে সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা খুব জরুরি। এ বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে কীভাবে আলোচনা করা যায় এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ঘৃণা ছড়ানোর বক্তব্য কী?

হেট স্পিচ বা ঘৃণা ছড়ানোর বক্তব্য বলতে এমন কথা, লেখা, ছবি বা আচরণকে বোঝায়, যা কারও ধর্ম, বর্ণ, জাতিসত্তা, লিঙ্গ বা শারীরিক সক্ষমতার কারণে বিদ্বেষ ছড়ায় বা অসম্মান করে। এটি সরাসরি বলা হতে পারে, আবার অনলাইন মন্তব্য বা পোস্টের মাধ্যমেও হতে পারে।

সন্তানকে হেট স্পিচ নিয়ে সতর্ক করার উপায় বললো ইউনিসেফ

কেন এই বিষয়ে কথা বলা দরকার

এই ধরনের বক্তব্য শুনলে শিশুরা ভয়, লজ্জা বা দুঃখ অনুভব করতে পারে। এতে তাদের আত্মসম্মান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। সময়মতো কথা বললে শিশুরা বুঝতে শেখে যে এটা ভুল।

কীভাবে কথাবার্তা শুরু করবেন

প্রথমে জিজ্ঞেস করুন—সে কি কখনো এমন কিছু শুনেছে বা দেখেছে? এসময় শিশুর উত্তর খুব মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তাড়াহুড়ো করে উপদেশ না দিয়ে তার অনুভূতিটা বোঝার চেষ্টা করুন। এতে সে নিরাপদ বোধ করবে।

সহজ ভাষায় বোঝান

জটিল ব্যাখ্যা না দিয়ে বলুন — ঘৃণা ছড়ানোর বক্তব্য এমন কথা, যা অন্যকে কষ্ট দেয়। কেউ মজা করে বললেও, তার প্রভাব খারাপ হতে পারে। উদ্দেশ্য আর প্রভাব যে এক জিনিস নয়, সেটাও বুঝিয়ে বলুন।

সন্তানকে হেট স্পিচ নিয়ে সতর্ক করার উপায় বললো ইউনিসেফ

অনলাইন দুনিয়া নিয়ে সতর্কতা

 

ইন্টারনেটে এই ধরনের কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই সন্তানকে শেখান কীভাবে এমন পোস্ট ব্লক বা রিপোর্ট করতে হয়। সেই সঙ্গে বলুন – অস্বস্তি লাগলে যেন সঙ্গে সঙ্গে শিশু তা আপনাকে জানায়।

ঘৃণার বিরুদ্ধে কীভাবে কথা বলবে

সব সময় প্রতিবাদ করা নিরাপদ নাও হতে পারে। তবে তাকে শান্তভাবে বলতে শেখানো যায়। যেমন – এভাবে কথা বলা ঠিক নয় বা এতে মানুষ কষ্ট পায়।

বৈচিত্র্যকে স্বাভাবিক করুন

শিশুকে বোঝান—মানুষ আলাদা হতে পারে, আর সেটাই স্বাভাবিক। গল্প, বই আর বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে সহানুভূতি শেখান।

সন্তানকে হেট স্পিচ নিয়ে সতর্ক করার উপায় বললো ইউনিসেফ

ঘৃণা ছড়ানোর বক্তব্য নিয়ে কথা বলা সহজ নয়, কিন্তু নীরব থাকাও ঠিক নয়। খোলামেলা ও সহানুভূতিশীল আলোচনাই সন্তানকে নিরাপদ ও সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত