শনিবার , ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উদ্যোক্তা
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ঢাকা
  13. তথ্য প্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

পিওর পর উপাচার্যের বিশেষ সানুগ্রহ পেলেন পিএস

প্রতিবেদক
শিরোনাম ২৪
জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খানের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান নিশাতকে নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই বিশেষভাবে পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রকের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যে পদ থেকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তিন বছর পর তিনি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হবেন।

এভাবে নিয়োগের ব্যাপারে নিয়োগ বিধিমালা কিংবা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নীতিমালায় উল্লেখ না থাকলেও আগের রেওয়াজ অনুযায়ী এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুন্সী শামসউদ্দীন লিটন। এ ঘটনায় কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

গত রোববার রেজিস্ট্রারের অফিসের একটি চিঠিতে তাঁকে পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রকের শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি নিয়োগটি পেতে উপাচার্যের কাছে আবেদন করেছিলেন।

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আব্দুর রহমানসহ এ নিয়ে তিনজনকে পদায়ন দেওয়া হলো। উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার ফিরোজ মিয়া ও রেজিস্ট্রারের দপ্তরের আব্দুল মোতালেবকে অফিস সহায়ক থেকে

নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি উচ্চমান সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আব্দুর রহমান বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রক ছানাউল্লাহ অবসর গ্রহণ করায় পদটি শূন্য হওয়ায় প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে আপনাকে পদায়ন দেওয়া হয়েছে।’

সাধারণ নিয়মে শূন্যপদে সার্কুলার হয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কেউ নিয়োগ পেতেন। সরাসরি নিয়োগ দেওয়ায় সে সুযোগ থাকল না।

আব্দুর রহমানের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রক পদ সমমান হলেও পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রক পদটি তুলনামূলকভাবে লাভজনক। বর্তমান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিমাদ্রী শেখর তিন বছর পর অবসরে যাবেন। অবসরে যাওয়া ছানাউল্লাহর মূল পদে দেওয়ায় এর পর আব্দুর রহমান জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হবেন। যেটি রেজিস্ট্রার সমমান পদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক অধিভুক্ত কলেজ থাকায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে বেতনের বাইরেও সুযোগ-সুবিধা বেশি। পরীক্ষা উপনিয়ন্ত্রকরা পরীক্ষার ডিউটি এবং টেবুলেশনের কাজ করে বেতনের বাইরে মাসে এক লাখ টাকার বেশি ভাতা পান বলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুন্সী শামসউদ্দীন লিটন বলেন, ‘আগে রেওয়াজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসন চাইলে যে কাউকে পদায়ন দিতে পারে। সেভাবেই দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিখিত কোনো নিয়ম নেই।’

জানতে চাইলে আব্দুর রহমান সমকালকে বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম যোগ্য কর্মকর্তা। তাই প্রশাসন আমাকে এটি দিয়েছে।’ উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘এটা আমি টেকনিক্যালি জেনে জানাব। এখানে কোনো ব্যত্যয় হয়নি। সমমানের পদে বদলি করা হয়েছে, এটা কোনো কিছু না।

ইউনিভার্সিটি যদি মনে করে তার যোগ্যতা-দক্ষতা আছে, সে বিসিএস ভাইভাও দিয়েছে, আমি তাকে কাছ থেকে দেখেছি।’
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সদরুল আমিন বলেন, ‘এটা আমি আগেও দেখেছি, উপাচার্যরা অনেক সময় নিজের লোককে বদলাবদলি করেন। যারা কাছে থাকবে, তারা বেশি সুবিধা পাবে।’

সূত্র: সমকাল

সর্বশেষ - অন্যান্য